সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদের আহ্বায়ক আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর বলেছেন, “আগামী ১৫ নভেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনের আগে যদি কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা না হয়, তবে আমরা ঢাকায় কঠোর কর্মসূচি, এমনকি অবরোধের মতো আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।
তিনি আরও বলেন, “কাদিয়ানী সম্প্রদায় মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদার ওপর আঘাত হানছে।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহীদি মসজিদ চত্বরে আগামী ১৫ নভেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর এসব কথা বলেন।
এ সময়, তিনি অবিলম্বে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবি জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের সদস্য সচিব আল্লামা মুহিউদ্দীন রাব্বানী বলেন, “নবুওয়তের শেষ প্রহরী হিসেবে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। খতমে নবুওয়তের বিশ্বাস রক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। দেশের শান্তি ও ইসলাম রক্ষার স্বার্থে সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাব্বির আহমাদ রশীদ।
আরও বক্তব্য রাখেন, তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী কিফয়াতুল্লাহ আজহারী, মাওলানা এমদাদুল্লাহ, মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা আব্দুল আহাদ, মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ জামী, মাওলানা আব্দুস সাত্তার, মাওলানা ওমর আহমাদ, মাওলানা আনযার শাহ দানিমসহ উলামায়ে কেরাম। গণসমাবেশে কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা আলেম-ওলামা বক্তব্য রাখেন।
এ সময়, বিভিন্ন মাদরাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মুসল্লিগণ এতে অংশ নেন। বক্তারা আগামী ১৫ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য মহাসম্মেলন সফল করার এবং খতমে নবুওয়তের বিশ্বাস রক্ষায় সর্বস্তরের মুসলমানকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।